আমি নিলাজ প্রহর নিয়ে কষ্টে আছি বড় -
বসে আছি ক্ষতের এঁদো পথ জুড়ে
দুঃখদ্রব নর্দমার জলে ভাসে
থেঁতলে যাওয়া কল্পসুখ
হতাশার গহ্বরে উঁকি দিলে আলোর ফালি
বিবমিষা হয় খুব।
আমি বারুদের আগুনে সেঁকি
জীবনের আধ-খাওয়া রুটি
অনঙ্গ শরীর টেনে নিয়ে যাই সাঙ্গিক জীবনে
চুল-গাল-গায়ে মাখি
ধোঁয়া আর ধুলোর প্রলেপ
মৃত্যুর ব্যাদান মুখ ছুঁয়ে যায় কর্ণ ও নাসিকা
এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছি ছিন্নছাল পথের ওপর
ত্রানের বহরের অপেক্ষায় নয
নয় জীবনের সলতের খোঁজে;
অবশেষে চাইছি ভীষণ করে অবসান
যদি আসে মহাপ্রলয় কোনো
আসুক সে অন্তিম কোনো যুদ্ধের নামে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Piupa Santra
বেশ ভালো লাগলো। শুভকামনা রেখে গেলাম ????????
মাহাবুব হাসান
আপনার লেখা এত ভালো লাগে যে সামান্য এদিক-ওদিক হলেও অনুভব করতে পারি। এইজন্যে বলা, এই সংখ্যায় কবিতায় মনোযোগ দেয়ার সুযোগটা বোধয় একটু কম হয়েছে! গল্পও দেখছি না। কী খবর আপনার? বৈরী সময়টা কি অতিক্রান্ত হয়েছে? [গল্পকবিতা যে চুপিচাপি মার্চ সংখ্যার বিজয়ী ঘোষণা করেছে, এবং ফলাফলে যে আপনি গল্পে ১ম হয়েছেন, সেটা কি আপনি জানেন?]
আপনার মতো মনোযোগী বিজ্ঞ বিদগ্ধ ও আন্তরিক পাঠক যার আছে সে সত্যিই সৌভাগ্যবান। হ্যাঁ, নানা কারণে আমার লেখার মান পড়ে যাচ্ছে, বুঝতে পারছি। কখনও ভাবি, লেখা ছেড়ে দেবো। ইনশাল্লাহ শিগগিরই ঝামেলা দূর হবে। আপনারা আমাকে ভালবাসেন এটুকুই যথেষ্ট; গক'র পুরস্কারের আবেদন আমার কাছে ততটা নেই - আগেই বলছি। ওরা করোনা-কাল থেকে কাউকে পুরস্কার দিয়েছে বলে আমার জানা নেই। আমি আপনার মনোযোগের কাছাকাছি আছি জেনে ধন্য।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
কবিতায় এক ভয়াবহ যুদ্ধের ছায়া আছে।
১৯ নভেম্বর - ২০১৭
গল্প/কবিতা:
১৮৮ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।